জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এ ই আর ও (ERO), ই আর ও (ERO) দের সঙ্গে এবার শাস্তির খাঁড়া নামতে চলেছে ভোটারদের ওপর। তার কারণ এনিউমারেশন ফর্মে পরিষ্কারভাবে লেখা ছিল যদি কোন ভোটার ভুল তথ্য  পরিবেশন করে থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের 31 নম্বর ধারা অনুযায়ী এক বছরের হাজতবাস অথবা জরিমানা বা দুটোই। 

Add Zee News as a Preferred Source

শুনানি পর্ব মিটতেই এখন কমিশনের চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে লিঙ্কেজ দেখে। অনেক ভোটার নিজেদের নাম লিঙ্ক করেছেন এমন অনেকের সঙ্গে যেখানে বাস্তবে কোন মিল নেই। 

এস আই আর এর শেষ পর্যায়ে এসে নির্বাচন কমিশন সব হিসেব করে দেখতে গিয়ে সেগুলোই ধরা পড়ছে এখন একের পর এক, যা ইতোমধ্যেই রোল পর্যবেক্ষকরা একদিকে ই আর ও এবং কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছে। 

মঙ্গলবার রাতেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছেন বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র। আগে থেকেই ছিলেন সুব্রত গুপ্ত। এবার এদের দুজনের সিদ্ধান্তে কেবলমাত্র ভোটার তালিকাতে নাম না থাকাই নয়, অনেকের কপালে দুর্ভোগ নেমে আসতে চলেছে বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারীর মধ্যে এসব কিছুই চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।

প্রসঙ্গত, বাংলায় SIR-র কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে কমিশনের পোর্টাল। কিন্তু ১ লক্ষ ১৪ হাজার ভোটারের নথি নাকি আপলোডই হয়নি এখনও! কমিশন সূত্রে খবর, এদের মধ্য়ে ৬০ শতাংশের বৈধ নথি নেই। বাকি ৪০ শতাংশ কিন্তু বৈধ ভোটার। তাও চুড়ান্ত ভোটার তালিকা নাম থাকবে না তাঁদের। কারণ, নথি আপলোড হয়নি। পরে অবশ্য় ফর্ম সিক্স জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। বস্তুত, BLO-দের পাঠিয়ে ফর্ম সিক্স ফিলাপ করার ব্য়বস্থা করবে কমিশনই। 

কেন এমন ঘটনা ঘটল?  ERO এবং AERO-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। দিন কয়েক আগেই SIR-র গুরুতর অনিয়ম, দায়িত্বে গাফিলতি এবং আইনগত ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে রাজ্যের ৭ AERO-কে সাসপেন্ড করেছে কমিশন।  কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, SIR চলাকালীন এই অনিয়ম ধরা পড়েছে তদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে।

রেহাই পাচ্ছেন না ইলেক্টোরাল মাইক্রো অবজার্ভা বা ERMO-রাও। শোকজ করা হল চারজনকে। অভিযোগ, দায়িত্বে থাকার সময়ে সংশ্লিষ্ট রোল অবজার্ভারদের না জানিয়েই কাজ থেকে বেরিয়ে যান ওই চার ERMO। জানা গিয়েছে, চার অভিযুক্তই সল্টলেকে ইলেকট্রনিক্স রিজিয়নাল টেস্ট ল্যাবরোটরির কর্মী। প্রাথমিকভাবে তাঁদের কাজ থেকে জবাব তলব করেছিল কমিশন। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব মেলেনি।

আরও পড়ুন: 

আরও পড়ুন: 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version